দাবি অনুযায়ী গ্রেড ও পদোন্নতি বাস্তবায়ন না করায় দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন; দাবি পূরণ না হলে বার্ষিক পরীক্ষাও বর্জনের হুমকি দিয়েছেন তারা।
সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১১তম গ্রেডসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ সারাদেশে লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) থেকে কোনো শিক্ষক কাজে যোগ দেননি।
পরিষদের আহ্বায়ক মু. মাহবুবুর রহমান বলেন, “দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণদিবস কর্মবিরতি চলবে। এটি প্রাথমিক শিক্ষকদের মর্যাদার লড়াই।” তিনি জানান, আপাতত ১১তম গ্রেড, পরে ১০ম গ্রেড—এমন আশ্বাসের দ্রুত প্রজ্ঞাপন চান তারা। পাশাপাশি পদোন্নতি ও স্কেল সংক্রান্ত আরও দুটি দাবি রয়েছে।
এর আগে ‘ঐক্য পরিষদ’ তিন দিনের কর্মবিরতি শুরু করলেও তার মধ্যেই দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ লাগাতার কর্মবিরতিতে যায়। ৮ ডিসেম্বর থেকে সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এই কর্মসূচির কারণে পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ লাখ ৮৪ হাজার শিক্ষক কর্মরত আছেন। প্রধান শিক্ষকরা সম্প্রতি ১০ম গ্রেড পেলেও সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এবং কাঙ্ক্ষিত গ্রেড বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন।